আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯

আপডেট:

স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশ এখন ডিজিটাল। এখন কার সময়ে নারীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী,বিরোধী দলের নেত্রীসহ দেশ বিদেশে নারীরা এগিয়ে রয়েছে।
কিন্তু গ্রামের নারীরা এখনও স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।
বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের রাজিরপুর গ্রামে এমন নির্মম বিভৎস নারকীয় ঘঠনা ঘটে। জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় (৬.৯.১৯ইং) আজ বিকালে আহত নারী লাকী বেগম (২৬) সাংবাদিকদেরকে জানান, আমার স্বামী একলক্ষ টাকার জন্য আমাকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরো জানান, আমার বাবা একজন দিনমজুর। কোনো মতে আমাদের সংসার চলে, তার পরেও ইতিপূর্বে কয়েক ধাপে প্রায় একলক্ষ টাকা আমার স্বামী ইউসুফ কে দেওয়া হয়।
ঘটনার আলোকে অনুসন্ধানে জানা যায়, কারণে বিনা কারণে প্রায় ইউসুফ তার স্ত্রী লাকী কে মারধর করতো। এ বিষয়ে একাধিকবার ইউসুফকে সাবধান করে সমাজের মান্যগণ্যব্যাক্তিবর্গ। যার জন্য বাড়ির আশপাশের মহিলারা বিষয়টা বেশী গুরুত্ব দিতেন না। যার ফলে সুযোগ বুঝে ইউসুফ তার স্ত্রী লাকীকে হত্যার চেষ্ঠা করে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় হাজী আব্দুর রহিম(৬৫)সহ কয়েকজন ব্যাক্তি জানান,হটাৎ করে ইউসুফ তার স্ত্রী লাকীর নিকট একলক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে, টাকা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে লাকীর হাত পা বেঁধে তাকে হত্যার চেষ্ঠা করে। এসময় লাকীর চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে,জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান, ইউসুফ একজন নিশাখোর। সে এলাকার সাধারণ মানুষদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে। এমনকি এলাকার যুবতী মেয়েদেরকে নানা ভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে থাকে। এসকল অপরাধের সাথে নরুজ্জামানের পুত্র আব্দুর রশিদ ও জড়িত রয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করেন।
এসময় লাকীর পিতা মনু মিয়া জানান, মেয়ের সুখের জন্য আমি একাধিকবার নুর উল্যার পুত্র ইউসুফের নানা অপকর্ম মেনে নিয়েছি।
কিন্তু এখন সে আমার মেয়েকে এভাবে হত্যার চেষ্ঠা করবে যা আমি কখনো ভাবিনি। আমি তার উপযুক্ত বিচার দাবী করি।
ঘটনার বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ.কে.এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।