আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮

আপডেট:

মোঃ সাইফুল ইসলাম পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: আন্দোলনে নেমেছেন উপজেলারধানখালী ইউনিয়নের মধুপাড়া মৌজারচার গ্রামের তিন শ’ কৃষক-জেলেপরিবার। নতুন করে বসতভিটাসহ জমিঅধিগ্রহণ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতেমধুপাড়া, চর-নিশানবাড়িয়া, গড়াৎ খাও মাছুয়াখালী গ্রামের কৃষক-জেলেপরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদসম্মেলন করা হয়েছে। এসব পরিবারেরপক্ষে ৩৩ গ্রামবাসী রবিবার বেলা১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদসম্মেলন করেন।লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মধুপাড়াগ্রামের বাসীন্দা মুক্তিযোদ্ধা মো.আবুল হোসেন। তিনি লিখিত বক্তব্যেদাবি করেন, আমরা ইতোমধ্যে চাষেরকৃষি জমি ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে দিয়েছি। এখনবসতভিটেসহ প্রত্যেক পরিবারের একচিলতে উঠান-পুকুর-কবরস্থানসহ জমিরয়েছে। তাও গত ১২ ডিসেম্বর শিল্পমন্ত্রণালয়ের একটি টিম এসেঅধিগ্রহণের জন্য সরেজমিন পরিদর্শণকরেছেন। তাই তারা উচ্ছেদ আতঙ্কেরয়েছেন। মাত্র ২০০ একর জমি রয়েছে।যেখানে অন্তত ৩০০ বাড়িঘর রয়েছে।এখান থেকে ১৫০ একর জমি অধিগ্রহণকরা হবে বলে তাঁদের দাবি। তাইলেবসতভিটে থেকে উচ্ছেদ হয়ে যাবেন।আব্দুল মান্নান পাহলোয়ান বলেন,‘শহীদ অইয়া যামু। এইবার আর জমিদিমুনা। কথা কাডা- জমি নেলে আমারপৃথিবীতে থাহার দরকার নাই।’ খালেকতালুকদার বলেন, ‘ আগে দিতে বাউন্ডঅইছি। সামনে আর একোয়ার অইবেনা।খুন অইয়া যাইবো। আগে ১২ বিঘাদিছি। এহন সাত বিঘা আছে। একইঞ্চিও দেওয়া যাইবেনা।’ আবুলহোসেন আরও জানান, ওই এলাকায়দুইজন মৃতসহ ছয়জন মুক্তিযোদ্ধার বাড়িরয়েছে। তিনটি প্রাইমারি স্কুল। ছয়টিমসজিদ। ৩৫টি টিউবওয়েলসহ অসংখ্যমাছের ঘের রয়েছে। এদের দাবিশিল্প সচিবসহ একটি টিম এলাকাপরিদর্শন করায় তারা চরম আতঙ্কেরয়েছেন। সবাই সর্বহারা হওয়ারশঙ্কায় পড়েছেন।পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব) মো. মামুনুর রশীদজানান, শিল্প মন্ত্রনালয়ের একটিউর্ধতন টিম ওই এলাকা পরিদর্শনকরেছে। কিন্তু ওই জমি অধিগ্রহণেরবিষয়টি চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।